গত বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপি

গত বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপি , সংঘর্ষের সময় হাতে আগ্নেয়াস্ত্রসহ চারজনকে

শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তবে চারজনের মধ্যে অন্তত দুজন যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে যুবলীগ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও

বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে

উভয় দলের অন্তত ৬০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় সূত্র জানায়, লাল ও কালো

পোশাক পরা ওই যুবক পৌর শহরের দত্তবাড়িতে নিজ বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র ছোড়ে। তার নাম বায়েজিদ আহমেদ।

এবং আগ্নেয়াস্ত্রকালো পোশাক পরা ওই যুবকের নাম পৌর শহরের কালগায়লা মহল্লার সুমন হোসেন। তারা

যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেওয়া বাকি দুজনকে এখনও কেউ শনাক্ত

গত বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপি

করতে পারেনি।এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতারা বলেন, তারা এসব বন্দুকধারীদের  চেনেন না। তাদের দলের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে কখনো দেখিনি।জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন আলী হাসান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ ইউসুফ জানান, অস্ত্রধারীরা তাদের দলের সদস্য নয়। তারা তাদের চেনেও না।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বলেন, যুবলীগের পক্ষ থেকে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করেছে তা সবাই জানে। তাই আমরা ধরে নেব তারা যুবলীগের কর্মী। প্রকাশ্যে এমন আগ্নেয়াস্ত্র দেখে হতবাক ও হতবাক নগরবাসী। তিনি বলেন, হামলা হলে দলের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, আমরা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। কেউ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করলে ভিডিও ফুটেজ

দেখে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা

দেখে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‘সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার সংঘর্ষের পর পুলিশ বাদী হয়ে সদর থানায় তিনটি মামলা করেছে। এ ছাড়া স্থানীয় এক ব্যবসায়ী মামলা করেছেন। ভিডিও ফুটেজ দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসেন আলী হাসান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ ইউসুফ জানান, অস্ত্রধারীরা তাদের দলের সদস্য নয়। তারা তাদের চেনেও না।জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বলেন, যুবলীগের পক্ষ থেকে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা করেছে তা সবাই জানে। তাই আমরা ধরে নেব তারা যুবলীগের কর্মী। প্রকাশ্যে এমন আগ্নেয়াস্ত্র দেখে হতবাক ও হতবাক নগরবাসী। তিনি বলেন, হামলা হলে দলের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরো পড়ুন 

About work

Check Also

কমলগঞ্জের মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ

কমলগঞ্জের মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ

কমলগঞ্জের মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ , সদস্য এম এ শহীদের ওপর হামলা হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.